শাহজালাল বিমানবন্দরে একজনের লাগেজ নিয়ে যাচ্ছে আরেক যাত্রী

September 7, 2019 10:58 am
Print Friendly, PDF & Email

শাহজালাল বিমানবন্দরে যাত্রীদের লাগেজ কাটা, চুরি চলছেই। বরাবরই অভিযুক্তছিল  বিমানবন্দর অথবা এয়ারলাইনস কর্মীরা। টার্মিনালের অভ্যন্তরে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে  নিশ্চিত হয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।যে এক যাত্রীর লাগেজ আরেক যাত্রী নিয়ে যাচ্ছে।

২৭শে জুলাই ভোরে শাহজলালের আন্তর্জাতিক টার্মিনালের লাগেজ বেল্ট থেকে ৪০ হাজার ইউরো ভর্তি একটি কার্টন খোয়া যায়। এর মালিক কাতার এয়ারওয়েজ, এবং বিমানবন্দরের লস্ট এন্ড ফাউন্ডে অভিযোগ করেও ফল পাননি। পরে ব্রাক্ষনবাড়িয়া থেকে সেই ইউরো উদ্ধার করে গত ৮ই আগষ্ট মালিককে ফিরিয়ে দেয় এপিবিএন।

যিনি চুরি করেছেন তিনি ওই একই ফ্লাইটের যাত্রী ছিলেন। পরিসংখ্যান বলছে গত জুলাই ও আগষ্ট মাসে ১৪২ জন যাত্রীর ব্যাগেজ ভুলে নিয়ে গেছেন অন্য যাত্রী। অন্যদিকে ১১জন যাত্রীর ব্যাগ চুরি হয়েছে, যারা চুরি করেছেন তারাও কোন না কোন ফ্লাইটের যাত্রী ছিলেন।

এপিবিএন’র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন লাগেজ চুরি প্রসঙ্গে বলেন, এখানকার স্টাফ যারা তারা কিন্তু জানে যে, সিসিটিভি রেকর্ড হচ্ছে। এটা খুব্‌ই রিস্কি। সে জন্য ওই পর্যায়ের চুরি অনেক কমে গেছে। ভুল করেও হচ্ছে। আবার এক যাত্রী আরেক যাত্রীর ব্যাগ নেয়ার ঘটনাও রয়েছে। তবে এ ধরণের ঘটনায় শতভাগ ব্যাগই আমরা উদ্ধার করছি।’

শাহজালাল কর্তৃপক্ষ জানায় বিমানবন্দররের বিভিন্ন স্থানে বাড়ানো হয়েছে সিসি ক্যামেরা। ল্যাগেজ হ্যান্ডেলিং কর্মীদের উপর বাড়ানো হয়েছে নজরদারী। কেউ যাত্রী হয়রানী বা অনিয়মের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার ঘটনা ধরা পড়েলেই নেওয়া হচ্ছে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন আবু সাঈদ মেহবুব খান এ প্রসঙ্গে বলেন, বিমানবন্দরে যাত্রী সেবার কাজে যারা আছেন তাদের সাথে প্রতি মাসে আমরা মিটিং করি। যাত্রী সেবার সাথে যারা যুক্ত থাকেন তাদের নিয়ে আমরা যে মিটিং করি সেখানে সকল এয়ারলাইন্স থাকে। সেইসঙ্গে কাস্টমস, ইমিগ্রেশন, এপিবিএন সকল শাখার প্রতিনিধি থাকেন।’