বিমান এখন সঠিক নির্দেশনায় চলছে: বিমান প্রতিমন্ত্রী

February 5, 2020 10:28 am
Print Friendly, PDF & Email

এশিয়ানমেইল ডেস্ক

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী জানিয়েছেন, করনোভাইরাস নিয়ে চীনে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে যেসব সতর্কতামুলক ব্যবস্থা নেওয়া দরকার তা নেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে বাংলাদেশে আতঙ্কের কোনো কারন নেই।

তার মতে, বাংলাদেশ বিমান এখন সঠিক নির্দেশনায় চলছে। বিমানবহরে যোগ হবে নতুন নতুন বিমান। টরন্টো, সিডনীসহ বিভিন্ন স্থানে বিমান চলাচল শুরু করা হবে। এপ্রিলের মধ্যে সিলেট-লন্ডন সরাসরি ফ্লাইট চালুর জন্য চেষ্টা চলছে।

বিমান প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত এক বছরে নানামুখি চেষ্টার ফলে বিমান লাভের মুখ দেখেছে। বিভিন্ন খাতে ব্যয় পরিশোধ করেও বিমানের লাভ থেকেছে ২৭৩ কোটি টাকা। প্রধানমন্ত্রী আমার ওপর আস্থা রেখেছেন। এজন্য তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। আমি প্রধানমন্ত্রীকে দায়িত্ব নেওয়ার পর বলেছি, দরকার হলে মন্ত্রনালয়ের দপ্তরে না থেকে আমি বিমানবন্দরে থেকে অবস্থার পরিবর্তন করতে চাই। আমি কর্মী হিসেবে কাজ করব। বিমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ ছিল। টিকিট পাওয়া যেত না। কিন্তু বিমানের আসন খালি যেত। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ক্ষেত্রে একবার দেখা গেল- একটি ফ্লাইটে ২০০ আসনই খালি। কিন্তু বলা হয়েছিল-টিকিট নেই। আমরা এ ধরনের সমস্যার কারণ শনাক্ত করেছি। দায়ীদের চিহ্নিত করে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নিয়েছি। আমরা অংশীজনদের নিয়ে বার বার বৈঠক করেছি, বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য।

বিমান প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা বিমান পরিচালনায় নতুন পদ্ধতি অনুসরণ করছি। আমরা সফল বলতে পারেন। তবে দায়িত্বশীল মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আমি এটাকে সাফল্য বলবো না। প্রধানমন্ত্রী নিবিড় তত্ত্বাবধানে রেখেছেন বিমানকে যাতে বিমানের ভাবমুর্তি উজ্জল হয়, উন্নত হয়।  আমি শুধু কাজটুকু করেছি। বিমানবন্দরে লাগেজ পেতে বিড়ম্বনা দুর করা হয়েছে। এটা যেকোনো বিমানবন্দরের তুলনায় ভালো অবস্থায় গেছে।  ১৫ মিনিট থেকে ৪৫ মিনিটের মধ্যে লাগেজ পাওয়া যাচ্ছে। মনিটরিং ডিসপ্লে করা হচ্ছে। লাগেজ ডেলিভারী কাজ সিসি ক্যামেরায় দেখা যাচ্ছে। লাগেজ কেউ আর চুরি করতে পারছে না। ইমিগ্রেশনে অভিযোগ পাওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছেন। ৫-৬ মিনিটে ইমিগ্রেশন হচ্ছে। সেবার মান উন্নয়ন হয়েছে। অবকাঠামোগত সমস্যা রয়ে গেছে। তবে তা উন্নয়নের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বিমান প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাড়ে ২১ হাজার কোটি টাকায় থার্ড টার্মিনাল হবে।  প্রধানমন্ত্রী তার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন গত ডিসেম্বরে। কক্সবাজার বিমানবন্দর উন্নত করা হবে। থিম্পু, কাটমান্ডু, আগরতলা, ইমপল থেকেও পর্যটকরা কক্সবাজারে আসবে। এখানে রানওয়ে উন্নত করা হবে। সৈয়দপুর বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক করা হবে। ভুমি অধিগ্রহন পর্ব শেষ পর্যায়ে আছে। রাজশাহী, যশোর ও বরিশাল বিমানবন্দর উন্নয়ন করা হবে। এরই মধ্যে আভ্যন্তরীন রুটে যাত্রীও বেড়েছে।